ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক রাহুল গান্ধীর Logo শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে মোদি সরকার Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে বঙ্গভবন ঘিরে কৌতূহল Logo ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে কথা না বলায় ক্যাটরিনার ফ্যান পেজ বন্ধ Logo জামায়াত এমপির ঘটনার তদন্ত চান তাসনিম জারা Logo মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও অখিলেশ আটক Logo হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু Logo সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের ফ্ল্যাটে মিলেছে ৩০০ কোট, ৫৩২ টাই ও ১০০ কামিজ Logo আগামী মাসের মধ্যে ‘প্রবাসী কার্ডের’ পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কাজ চালু করবে সরকার

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

লাইনচ্যুত বগি

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর স্টেশনের কাছে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল এবং একই সময়ে গুণবতী এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা এবং রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লাকসাম রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক জানান, এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

দুটি লাইনের যেকোনো একটি সচল করা গেলেই ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে।

নাঙ্গলকোটের স্টেশন মাস্টার জামাল উদ্দিন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনারবাংলা এক্সপ্রেস গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুর স্টেশনের অদূরে পৌঁছালে এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে আপ লাইনে আটকা পড়ে।

অন্যদিকে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকলের খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ডাউন লাইন দিয়ে গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুরের দিকে যাওয়ার সময় মাঝপথে চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে আপ ও ডাউন-উভয় লাইনেই ট্রেন আটকে যায় এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের বিকল ইঞ্জিন এবং মেঘনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন পৌঁছানোর পরই উদ্ধার কাজ শুরু হবে।

লাকসাম জংশন স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক আরও জানান, চট্টগ্রাম থেকে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের জন্য একটি সচল ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি লাইনচ্যুত বগি ঘটনাস্থলে রেখে বাকি অংশ লাকসামে নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল কুয়াকাটা সাগর, উপকূলে ফিরেছে শত শত ট্রলার

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

আপডেট সময় ১১:৪৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর স্টেশনের কাছে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল এবং একই সময়ে গুণবতী এলাকায় মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা এবং রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লাকসাম রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক জানান, এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

দুটি লাইনের যেকোনো একটি সচল করা গেলেই ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হবে।

নাঙ্গলকোটের স্টেশন মাস্টার জামাল উদ্দিন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনারবাংলা এক্সপ্রেস গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুর স্টেশনের অদূরে পৌঁছালে এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে আপ লাইনে আটকা পড়ে।

অন্যদিকে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকলের খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেস ডাউন লাইন দিয়ে গুণবতী স্টেশন অতিক্রম করে হাসানপুরের দিকে যাওয়ার সময় মাঝপথে চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ফলে আপ ও ডাউন-উভয় লাইনেই ট্রেন আটকে যায় এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের বিকল ইঞ্জিন এবং মেঘনা এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওনা হয়েছে। উদ্ধারকারী ট্রেন পৌঁছানোর পরই উদ্ধার কাজ শুরু হবে।

লাকসাম জংশন স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক আরও জানান, চট্টগ্রাম থেকে সোনারবাংলা এক্সপ্রেসের জন্য একটি সচল ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মেঘনা এক্সপ্রেসের চারটি লাইনচ্যুত বগি ঘটনাস্থলে রেখে বাকি অংশ লাকসামে নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ হলেই ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট