কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ‘অনেক বলেন মোল্লার দোঁড় মসজিদ পর্যন্ত, সেই মোল্লারা এবার যাবে সংসদে।
সোমবার (৯ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ১১দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, কুড়িগ্রামে একটা কুঠির শিল্প বানাবো। সেখানে মা-বোনরা কাজ করবে। মা -বোনের বানানো কাপড় বাইরে যাবে, ষেখানে লেখা থাকবে ‘মেড ইন কুড়িগ্রাম’।
রাজারহাটের উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, আমি এমপি হলে তিস্তা নদীর গতি করবো। এলাকার রাস্তাঘাটগুলো ভাঙ্গাচুরা সেগুলো রাস্তা-ঘাটের সমস্যা সমাধান করবো।
রাজারহাটবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী রাজারহাট বাইপাস সড়ক, বাইপাস সড়ক করবো। রাজারহাটে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করবো। ছেলে-মেয়েদের খেলার জন্য মিনি স্টুডিয়াম তৈরি করবো।
তিনি আরও বলেন- আমি এমপি হলে কোন রিক্সা অটোকে আর চাঁদা দিতে হবে না। রাজারহাটে পলিটেকনিক্যাল কলেজ তৈরি করে দিবো। হিন্দুদের মন্দিরে কোরবাণীর ব্যাপারে তিনি বলেন যারা এসব প্রোপাগান্ডা ছড়ায় তাদের বিশ্বাস করবেন না। আমি এমপি হলে একটা উপদেষ্টা পরিষদ তৈরি করবো, যেখানে হিন্দু
পুরহিত থাকবে, মুসলিম আলেম থাকবে, মসজিদের ইমাম থাকবে, ছাত্র প্রতিনিধি,শিক্ষক প্রতনিধি, সাংবাদিক প্রতিনিধি, সর্বস্তরের জনসাধরণকে নিয়ে উপদেষ্টা বানিয়ে কাজ করবো। এমপি হলে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিলবোর্ড টাঙিয়ে দিবো
যেখানে আমার দুইটি মোবাইল নাম্বর লাগানো থাকবে। সেই মোবাইলে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত সরাসরি জনসাধারনের সাথে কথা বলবো।
তিনি আরও বলেন-আমি রাজাহাটের গর্বিত সন্তান হয়ে সংসদে অধিকার আদায়ের জন্য কথা বলে চাই। আমার এলাকার মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য রাজনীতি করবো। যুবকদের জন্য মাল্টি স্কিল সেন্টার বানিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠাবো। নানা রকম ফ্যাক্টরিতে ঢ়ুকানো হবে। আমি আপনাদের সাথে বেঈমানি করবো না।
এসময় জনসভায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীর পরিচালনায় উপজেলা জামায়াতের আমীর কপিল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ শাহ জালাল সবুজ, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ডফডারেশনের সভাপতি এ্যাড. ইয়াছিন আলী, সাবেক উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি
কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহবায়ক মকুল মিয়া, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি সুজন মিয়া প্রমূখ। পরে একটি নির্বাচনী মিছিল উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
আইএনবি/ এম আ/বিভূঁইয়া