এমডি বাবুল ভূঁইয়া: আমরা অনেকেই ডাক্তারদের হীন মনমানসিকতার জন্য এবং তাদের অতিরিক্ত লাগামহীন ফি হওয়ার জন্য আমরা বেশির ভাগ মানুষ তাদেরকে কসাইয়ের সাথে তোলনা করে বলি,,, সেতো ডাক্তার না যেনো একটা কসাই।
সত্যি বলতে, মানুষের মাঝে খারাপ ভালো দু’টো দিক আছে। হয়তো কারোর খারাপটা বেশি আবার কারোর ভালোটা বেশি। দোষ এবং গুনের মিশ্রনেই মানব জীবন পরিচালিত হচ্ছে। তবে আমাদের দেশে বেশিরভাগ ডাক্তাররাই সেবার চেয়ে অর্থকে বেশি প্রধান্য দেয়।
অধিকাংশ মানুষের দৃস্টিতে কসাই নামক ডাক্তারদের পাশাপাশি কিছু ভালো মনের মানবিক ডাক্তারও আমাদের এই দেশে এবং সমাজে আছে। অথচ আমরা সেসব ভালো মানবিক ডাক্তারদের কথা কেউ বলিনা।
আমার সাংবাদিকতার কর্মময় জীবনে খারপ-ভালো অনেক ডাক্তার দেখেছি । কিন্তু আমার দেখা একজন মানবিক ডাক্তারের কিছু কথা না বললেই নয়। বিবেকের তাগিদে দুইটা লাইন লিখতে বাধ্য হচ্ছি…।
ডা. মোহাম্মদ আশিক ইমরান খান। বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। খুবই নম্রভদ্র একজন মানুষ। উনার মতো অল্পভাষী মেধাবী ডাক্তার খুব কমই দেখেছি । তিনি কর্মময় জীবনে ‘ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড এন্ড জেনারেল হাসাপাতাল’-এর কয়েকটি শাখায় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই পেশাগত সেবা দিয়েছেন। তার সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় ইসলামী হাসপাতালে..। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে এখনও বন্ধুসুলভ সম্পর্ক রয়েছে। যদিও মাঝখানে বেশ কয়েকবছর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। কারণ তার মোবাইল নাম্বারটা হারিয়ে ফেলেছিলাম। ইসলামি হাসপাতালে গিয়েও খোঁজ নিয়েছি। কিন্তু কেউ সঠিক উত্তর দেয়নি। কিন্তু কেন দেয়নি সেটা পরে বুঝতে পেরেছি। কারণ আমার পেশাটা ছিল আমার বড় অপরাধ। আমি একজন সংবাদকর্মী।
অন্যসব ডাক্তারদের থেকে ডা. আশিক ইমরান খান-কে কেনো আমি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছি তার কিছু কারণ রয়েছে….। আমি গোপনে আমার সোর্স দিয়ে উনাকে নজরে রেখেছি। উনার অনেকগুলো ভালো কাজের মধ্যে একটি হলো, অনেককেই উনি ফোনে সেবা দিয়ে থাকনে। যেমন কেউ অসুস্থ হয়ে গেছে হাসপাতালে আসতে পারছেনা, তখন তাকে ফোন করিলে তাৎক্ষনিক সেবা দিয়ে থাকেন। যেমন প্রাথমিকভাবে একটা ওষুধের নাম বলে বা লিখে দেন। যা ভুক্তভোগির জন্য তখন খুবই উপকার হয়। এ কাজটা আমি কোন ডাক্তারকে করতে দেখিনি। এ কাজাটা করতে গেলে ব্যক্তিগত ফি থেকে ডাক্তাররা বঞ্চিত হয়ে থাকনে। কিন্তু আশিক ইমরান টাকার থেকে সেবাটাকে গুরুত্ব এবং প্রাধান্য দিয়ে থাকনে। আমি নেজেও উনাকে ফোন দিয়ে অনেক সেবা নিয়েছি।
বর্তমানে ডা. মোহাম্মদ আশিক ইমরান খান ‘ইবনে সিনা ডি. ল্যাব ‘ মালিবাগ (ভবন-২) চেম্বার করছেন। প্রতি শনি, সোম ও বুধবার সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উনাকে পাওয়া যায়।
ডাঃ মোহাম্মদ আশিক ইমরান খান- এর শিক্ষাগত যোগ্যতা-
এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (মেডিসিন),
এমডি (বক্ষব্যাধি) এমসিপিএস (মেডিসিন),
এমএসিপি (আমেরিকা) বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ’
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।
(বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ)।
বি:দ্র: আশাকরি ডাক্তার মোহাম্মদ আশিক ইমরানের ভালো কাজ গুলোর মতো অন্যসব ডাক্তারাও করবেন। এই লেখাটা কাউকে হেয় বা বড় করার জন্য লিখিনি। মানবিক এবং সত্য উপস্থাপন করেছি মাত্র।
আইএনবি নিউজ