/* */
Dhaka , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
Logo পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় কম্পিউটারের দোকানে লেখা হতো মামলার ভুয়া রায় Logo প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ৬০০ টাকা, অর্থের জোগান নিয়ে ধোঁয়াশা Logo রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন Logo সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ‌‘কিছুটা চিন্তিত’ স্পিকার Logo সংসদ অধিবেশন ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ Logo ঢাকার কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার Logo রোববার বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি Logo শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মির্জা ফখরুল ভোট দিতে পারলেও পারছেন না অলি আহমেদ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ বিকেল ৪টা

রায়পুরে নদীগর্ভে বিলীন ২’শ ঘরবাড়ি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চর কাছিয়া, চর ঘাশিয়া ও চরলক্ষ্মী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত এক মাসে প্রায় ২’শ বসতঘর ও ৪টি মাছের আড়ৎ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের লোকজন প্রতিনিয়ত ভিটেমাটি হারানোর ভয়ে আতঙ্কের মাঝে বসবাস করছে। অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে ফসলি ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গৃহহারা এ মানুষগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এ বছর বর্ষা ও টানা বর্ষণে কয়েক শতাধিক একর ফসলি জমি, বাগান, ও কয়েক’শ বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। ভূমিহীন হয়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চরাঞ্চলের হাবিব গাজী, সৈয়দ চকিদার, রহুল আমি মেম্বার ও হুমায়ন প্রধানিয়ার মাছের আড়ৎসহ বেশ কয়েকটি দোকান মেঘনার ভাঙ্গনে চিরতরে তলিয়ে যায়। এছাড়া অনেক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলিন হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো সবকিছু হারিয়ে এখন নিঃস্ব। কোথাও জায়গা না পেয়ে বসতভিটা হারিয়ে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

এখন হুমকিতে আছে আরও সমপরিমান পরিবার। স্থানীয় সাংসদ ও সরকারের অনেক কর্মকর্তা সরেজমিন নদী ভাঙ্গনের চিত্র দেখেছেন। কিন্তুু ভাঙ্গনরোধে কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি’।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রায়পুরে নদীগর্ভে বিলীন ২’শ ঘরবাড়ি

আপডেটের সময় : ০৭:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চর কাছিয়া, চর ঘাশিয়া ও চরলক্ষ্মী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘনা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত এক মাসে প্রায় ২’শ বসতঘর ও ৪টি মাছের আড়ৎ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনে চরাঞ্চলের লোকজন প্রতিনিয়ত ভিটেমাটি হারানোর ভয়ে আতঙ্কের মাঝে বসবাস করছে। অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে ফসলি ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গৃহহারা এ মানুষগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এ বছর বর্ষা ও টানা বর্ষণে কয়েক শতাধিক একর ফসলি জমি, বাগান, ও কয়েক’শ বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। ভূমিহীন হয়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় চরাঞ্চলের হাবিব গাজী, সৈয়দ চকিদার, রহুল আমি মেম্বার ও হুমায়ন প্রধানিয়ার মাছের আড়ৎসহ বেশ কয়েকটি দোকান মেঘনার ভাঙ্গনে চিরতরে তলিয়ে যায়। এছাড়া অনেক বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলিন হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো সবকিছু হারিয়ে এখন নিঃস্ব। কোথাও জায়গা না পেয়ে বসতভিটা হারিয়ে অনেকেই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন।

এখন হুমকিতে আছে আরও সমপরিমান পরিবার। স্থানীয় সাংসদ ও সরকারের অনেক কর্মকর্তা সরেজমিন নদী ভাঙ্গনের চিত্র দেখেছেন। কিন্তুু ভাঙ্গনরোধে কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেয়নি’।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট