ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন নারী

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা সদরের শারমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে শুক্রবার দুপুরে নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক নারী। তার নাম হোসনে আরা (৫৫)।

হাসপাতালের পরিচালক রাজীব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, হোসনে আরার বাড়ি উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ধনকীপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী।

হোসনে আরার ছোট ভাই স্কুলশিক্ষক নূরুল হক সংগ্রাম গণমাধ্যমকে জানান, তার বড় বোন হোসনে আরা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি প্রতি মাসে ডাক্তার দেখানোর জন্য কটিয়াদী উপজেলা সদরের শারমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে ডাক্তার দেখাতে ওই হাসপাতালে যান তিনি। ডাক্তার দেখানোর জন্য সিরিয়ালে নিজের নামও লেখান।

তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি কক্ষে জোহরের নামাজ পড়ছিলেন। নামাজে সেজদারত অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন নারী

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৯

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা সদরের শারমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে শুক্রবার দুপুরে নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এক নারী। তার নাম হোসনে আরা (৫৫)।

হাসপাতালের পরিচালক রাজীব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, হোসনে আরার বাড়ি উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের ধনকীপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী।

হোসনে আরার ছোট ভাই স্কুলশিক্ষক নূরুল হক সংগ্রাম গণমাধ্যমকে জানান, তার বড় বোন হোসনে আরা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি প্রতি মাসে ডাক্তার দেখানোর জন্য কটিয়াদী উপজেলা সদরের শারমিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে ডাক্তার দেখাতে ওই হাসপাতালে যান তিনি। ডাক্তার দেখানোর জন্য সিরিয়ালে নিজের নামও লেখান।

তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি কক্ষে জোহরের নামাজ পড়ছিলেন। নামাজে সেজদারত অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। পরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট