ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে চলছে চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর ধুম

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় এখন চলছে হাওড় বিলের মিঠা পানির সুস্বাদু দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর ধুম। শুঁটকী তৈরীর জন্য নদীর পাড়ে গড়ে উঠছে বেশ কয়েকটি বাঁশের মাচা। জেলে পল্লীর নারীরা এখন পুঁটি মাছ কাটা আর শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছে।

নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে জেলেরা চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর জন্য বাঁশ দিয়ে উঁচু মাচা তৈরী করে তার উপর কাটা পুঁটি মাছ শুকাচ্ছে। জানা গেছে রসনা বিলাসীদের সুস্বাদু চ্যাপা শুঁটকী প্রতি কেজি ৮শ থেকে ১০০০ টাকা ধরে বিক্রি হয়। এ সমস্ত চ্যাপা শুঁটকী দেশের বাহিরেও চলে যায়।

চ্যাপা শুঁটকী ব্যবসায়ী সমির দাস, অমর দাস, সঞ্জিত দাস, মোহন লাল দাস সহ আরো অনেকের সাথে কথা বললে, তারা জানান বৎসরে তিন থেকে চার মাস চলে এ ব্যবসা। পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকায় শুকানো পুঁটি মাছ চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর আগেই চলে যাচ্ছে মহাজনদের হাতে। এ জন্য ব্যবসার লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবী সরকার যদি চ্যাপা শুঁটকী ব্যবসায়ীদের সরকারী অনুদান অথবা ঋণের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে তারা এ ব্যবসা করে পরিবার পরিজন নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হবে। এ খাতে সরকারী পিষ্ঠ পোষকতা চায় ব্যবসায়ীরা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগরে চলছে চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর ধুম

আপডেট সময় ০৮:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় এখন চলছে হাওড় বিলের মিঠা পানির সুস্বাদু দেশীয় পুঁটি মাছের চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর ধুম। শুঁটকী তৈরীর জন্য নদীর পাড়ে গড়ে উঠছে বেশ কয়েকটি বাঁশের মাচা। জেলে পল্লীর নারীরা এখন পুঁটি মাছ কাটা আর শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছে।

নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে জেলেরা চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর জন্য বাঁশ দিয়ে উঁচু মাচা তৈরী করে তার উপর কাটা পুঁটি মাছ শুকাচ্ছে। জানা গেছে রসনা বিলাসীদের সুস্বাদু চ্যাপা শুঁটকী প্রতি কেজি ৮শ থেকে ১০০০ টাকা ধরে বিক্রি হয়। এ সমস্ত চ্যাপা শুঁটকী দেশের বাহিরেও চলে যায়।

চ্যাপা শুঁটকী ব্যবসায়ী সমির দাস, অমর দাস, সঞ্জিত দাস, মোহন লাল দাস সহ আরো অনেকের সাথে কথা বললে, তারা জানান বৎসরে তিন থেকে চার মাস চলে এ ব্যবসা। পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকায় শুকানো পুঁটি মাছ চ্যাপা শুঁটকী তৈরীর আগেই চলে যাচ্ছে মহাজনদের হাতে। এ জন্য ব্যবসার লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবী সরকার যদি চ্যাপা শুঁটকী ব্যবসায়ীদের সরকারী অনুদান অথবা ঋণের ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে তারা এ ব্যবসা করে পরিবার পরিজন নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হবে। এ খাতে সরকারী পিষ্ঠ পোষকতা চায় ব্যবসায়ীরা।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট