ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্হা

তারিক মাহমুদ: করোনা কালে বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্হা যেখানে খুব ই নাজুক।অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী অবস্থায় থাকা দেশগুলোতে ও হাজারে হাজারে মানুষ চাকুরী হারাচ্ছে প্রতিদিন।বেকারত্বের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।বাড়ছে অসন্তোষ। হিমসিম খাচ্ছে দেশের সরকার।

সেই তুলায় আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা দিন দিন উওর উওর উন্নতি করছে।বেকারত্ব কমে আসছে।মানুষের কাজের জায়গাগুলো আবার পূর্বের মতো অবস্হায় ফিরে এসেছে।

ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্হায় সুস্হির নিঃশ্বাস বইছে।কোথাও কোন করোনার তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।

কাল সন্ধ্যায় হাঁটছিলাম ফার্মগেটের ফুটপাত ধরে।চারিদিকে হাজার লোকজন।দোকান পাটের ছড়াছড়ি। কেনাকাটায় ব্যস্ত অনেকে।কেনাকাটা ও ভালো হচ্ছে।কথা বলছিলাম আজাদের সাথে। সন্ধ্যায় প্রতিদিন এখানে আজাদ সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে।এই ডিম বিক্রি চলে রাত ১০/১১ পযন্ত।সব কিছু বাদ দিয়েও ৮০০/৯০০ টাকা প্রতিদিন আজাদের লাভ থাকে।আজাদের দিন ভালোই চলছে বলে জানালো সে।

একটু দুরেই আমেনা খালা তার দুই ছেলে নিয়ে হরেক রকম পিঠা বিক্রি করে।বছর তিন ধরে দেখছি।দিন দিন তারও জীবন যাএার মান উন্নতি হচ্ছে।আগে মাটির চুলায় পিঠা বিক্রি করতো।এখন করে গ্যাস সিলিন্ডারে।একসাথে দশটা চলায় পিঠা বানাচ্ছে। তারপরে কুলিয়ে উঠতে পারছে।

আমেনা খালা জানালো পিঠার এখন ব্যাপক চাহিদা। শীতে এই পিঠার ব্যবসা করেই তাদের সংসারের চাকা সচল রাখছেন আমেনা খালা। সেই সাথে আজাদও।

এভাবেই আমাদের দেশের অর্থনীতির অবস্থা এইসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দিন দিন বদলে দিচ্ছে কিংবা বদলে যাচ্ছে।

করোনাকাল কাটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা ও ভালো দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্হা

আপডেট সময় ০৮:০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

তারিক মাহমুদ: করোনা কালে বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্হা যেখানে খুব ই নাজুক।অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী অবস্থায় থাকা দেশগুলোতে ও হাজারে হাজারে মানুষ চাকুরী হারাচ্ছে প্রতিদিন।বেকারত্বের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।বাড়ছে অসন্তোষ। হিমসিম খাচ্ছে দেশের সরকার।

সেই তুলায় আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা দিন দিন উওর উওর উন্নতি করছে।বেকারত্ব কমে আসছে।মানুষের কাজের জায়গাগুলো আবার পূর্বের মতো অবস্হায় ফিরে এসেছে।

ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্হায় সুস্হির নিঃশ্বাস বইছে।কোথাও কোন করোনার তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।

কাল সন্ধ্যায় হাঁটছিলাম ফার্মগেটের ফুটপাত ধরে।চারিদিকে হাজার লোকজন।দোকান পাটের ছড়াছড়ি। কেনাকাটায় ব্যস্ত অনেকে।কেনাকাটা ও ভালো হচ্ছে।কথা বলছিলাম আজাদের সাথে। সন্ধ্যায় প্রতিদিন এখানে আজাদ সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে।এই ডিম বিক্রি চলে রাত ১০/১১ পযন্ত।সব কিছু বাদ দিয়েও ৮০০/৯০০ টাকা প্রতিদিন আজাদের লাভ থাকে।আজাদের দিন ভালোই চলছে বলে জানালো সে।

একটু দুরেই আমেনা খালা তার দুই ছেলে নিয়ে হরেক রকম পিঠা বিক্রি করে।বছর তিন ধরে দেখছি।দিন দিন তারও জীবন যাএার মান উন্নতি হচ্ছে।আগে মাটির চুলায় পিঠা বিক্রি করতো।এখন করে গ্যাস সিলিন্ডারে।একসাথে দশটা চলায় পিঠা বানাচ্ছে। তারপরে কুলিয়ে উঠতে পারছে।

আমেনা খালা জানালো পিঠার এখন ব্যাপক চাহিদা। শীতে এই পিঠার ব্যবসা করেই তাদের সংসারের চাকা সচল রাখছেন আমেনা খালা। সেই সাথে আজাদও।

এভাবেই আমাদের দেশের অর্থনীতির অবস্থা এইসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী দিন দিন বদলে দিচ্ছে কিংবা বদলে যাচ্ছে।

করোনাকাল কাটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্হা ও ভালো দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট