আইএনবি ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে তীব্র গ্যাস সংকটে তৈরি হয়েছে হাহাকার। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত পরিবহণ চালকরা। দিনের বেশির ভাগ সময়ই চালকদের কাটছে ফিলিং স্টেশনের সামনে লাইনে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও থেকে যে গ্যাস মিলছে তা দিয়ে একটি অটোরিকশা দুই ট্রিপও দিতে পারছে না। স্বল্পচাপের কারণে অনেক সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু পরিবহণ নয়, বাসাবাড়িতেও ভোগান্তি চরমে। অনেক স্থানে দিনের বেলায় জ্বলছে না চুলা। বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার গ্যাস ও বৈদ্যুতিক চুলায় চলছে রান্না। সংকট এমন অবস্থায় গিয়ে ঠেকেছে যে গ্যাস এখন বাড়িতেও নেই, গাড়িতেও নেই। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা থামকে গেছে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
গাবতলী, কল্যাণপুর, কালশী, কাজীপড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার সিএনজি স্টেশন ঘুরে গাড়ির দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় স্টেশনগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও অটোরিকশাকে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে লাইন ধরে।
ডেমরা এলাকায়ও একই অবস্থা। এতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের জন্য ৪ ঘণ্টার বেশি অপেক্ষায় থাকতে হয় পরিবহণ চালকদের। প্রতিটি স্টেশনের সামনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন।
মুগদা, মানিকনগর, সবুজবাগ, খিলগাঁও, বনশ্রী ও হাজীপাড়া এলাকায় অন্যদিনের তুলনায় বেশি গ্যাস সংকট দেখা যায়। গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন। ফলে এদিন বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় সিএনজিচালিত যানবাহন চালকদের। এ সময় অনেক ফিলিং স্টেশন গ্যাস নেই সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখতেও দেখা যায়।
উত্তরায় গ্যাস সংকট ছিল তীব্র। গ্যাসের অভাবে অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ ছিল।
শুধু সিএনজি ফিলিং স্টেশন নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকট চরমে। গ্যাস না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলছে না বাসার চুলা। বাধ্য হয়ে অধিকাংশ পরিবার সিলিন্ডার ও বৈদ্যুতিক চুলায় রান্নার কাজ করতে হচ্ছে। বিকল্প হিসাবে অনেকে হোটেলের খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পথে ও ব্যবসা-বাণিজ্যও স্থবির হয়ে পড়ছে।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ, অফিস : ১৪ কাকরাইল রোড, (৫ম তলা) শান্তিনগর বাজার, ঢাকা-১২১৭। মোবাইল : ০১৮১৭০৬২৩৪৪, ০১৭১২৩৫৭১৫৪ ইমেইল : inbnews2010@gmail.com
© All rights reserved © INBNews