ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন, যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার ও মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা আমার দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা।
পরে ২০১৮ সালে স্লুইজগেটের ঘাটে সাবেক শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারে তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান নিই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনের মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের কাছে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠালে আমি এক মাসেরও বেশি সময় জেল খাটি। ফিরে এসে দেখি, আমার দোকানের মালামাল সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে নিয়ে গেছে।
পরে গতবছরের ৫ আগস্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে যাই। কিন্তু যুবদলের নেতার নেতৃত্বে গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরি করায় সবুজের কাছ থেকে মালামাল বুঝে নিতে পারিনি।
আজ সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা করে।
এদিকে যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদের গালিগালাজ করে মারপিট করে। এসময় রুবেল বাধা দিলে তারা রুবেলকে মারপিট করে।
এতে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদের প্রতিহত করলে সংঘর্ষ হয়। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইএনবি/বিভূঁইয়া