পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড় জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে টানা শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা।
রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত কয়েক দিন সকালবেলা সূর্যের দেখা মিলছে না। দুপুরে সূর্যের আলো আসলেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। রোববার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।
আইএনবি/বিভূঁইয়া