আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণ রাজনৈতিক আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র ডাকা “জন্তরমন্তর ২.০” ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লিতে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। সিজেপির আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে এসে নয়াদিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে বাসস্ট্যান্ডের কাছে নিজের বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের শীর্ষ সংসদ সদস্যদের পুলিশ আটক করে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধর্নায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল এমপি দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ঢাকা মহানগর পুলিশ বা দিল্লির পুলিশ কর্মকর্তা প্রথমে তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করে এলাকা ছেড়ে যেতে বললেও তারা অবস্থান অনড় রাখেন। পরবর্তীতে তাদের আটক করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে, পুলিশ তাদের ভ্যানে করে প্রায় দুই ঘণ্টা ঘুরিয়ে পরে দ্বারকা নর্থ পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যায়। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি ঘোষণা দেন যে, দিল্লিতে অবস্থান অব্যাহত রেখে আগামী সোমবার বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র পরিকল্পিত বিক্ষোভ মিছিলেও তিনি অংশ নেবেন।
অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরও মুম্বাই থেকে বিমানে চেপে নয়াদিল্লি পৌঁছালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে রানওয়েতে থাকা অবস্থাতেই বিমানের ভেতর প্রবেশ করে আটক করে পুলিশ। অভিজিৎ তার নিজ ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পুলিশি পদক্ষেপটি লাইভ প্রচার করেন, যেখানে তাকে বলতে শোনা যায়—গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমাতে সরকার স্বৈরাচারী পন্থা অবলম্বন করছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পিনারাই বিজয়ন, ধ্রুব রাঠী ও তুষার গান্ধীর মতো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকেও এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আটক করা হয়।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ, অফিস : ১৪ কাকরাইল রোড, (৫ম তলা) শান্তিনগর বাজার, ঢাকা-১২১৭। মোবাইল : ০১৮১৭০৬২৩৪৪, ০১৭১২৩৫৭১৫৪ ইমেইল : inbnews2010@gmail.com
© All rights reserved © INBNews