স্বাস্থ্য ডেস্ক: শিশুরা দুষ্টুমি করবে এমনটাই স্বাভাবিক। দুষ্টুমি করে আবার বাবা-মায়ের বকুনি এড়ানোর জন্যে ছোট ছোট মিথ্যের আশ্রয়ও নিতে দেখা যায় তাদের। এ নিয়ে অনেক বাবা-মা মজা করেন। বাচ্চা বয়সে এমনটা হতেই পারে ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু এ সময় থেকেই সাবধান হতে হবে। আপনার শিশুকে বোঝাতে হবে সত্য কথা বলা কেন দরকার।
বিশেষজ্ঞ অভিমত, শিশুদের মিথ্যে বলার প্রবণতা বাড়তে দেওয়া উচিত নয়। এতে তারা ভবিষ্যতে মিথ্যে বলার অভ্যাস গড়ে নেয়। ভবিষ্যতে এই স্বভাব বাড়তি বিপদ ডেকে আনে।
তাহলে শিশুদের মিথ্যে বলার অভ্যাস থেকে দূরে রাখবেন কিভাবে? বকুনি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং তাদের বোঝান মিথ্যা বললে অন্যের খারাপ লাগা শুরু হতে পারে। যদি শিশুদের বোঝানো যায় তাদের মিথ্যে বলা বাবা-মায়ের পছন্দ না বা কষ্ট দেয়, তাহলে শিশুরা অল্পবয়সেই তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে।
শিশু...
অনেক সময় শিশুরা কল্পনাশক্তির ব্যবহার করে থাকে। সে সময় বানিয়ে অনেক গল্প বলে। তবে তাকে নেতিবাচক অভ্যাসে পরিণত না করিয়ে বরং তাদের ইতিবাচক দিকে নিয়ে যান। অপরাধ ঢাকতে বানিয়ে কোনো গল্প বললে তাদের বোঝান। আবার সে নিজের কল্পনায় গল্প ভাবলে গল্প লেখা বা ছবি আঁকার সাথে সম্পৃক্ত করে দিন।
বিশেষত আপনার শিশুকে মিথ্যে বলার বিন্দুমাত্র সুযোগ দেবেন না। সে যদি কোনো দোষ ঢাকার চেষ্টা করে সাথে সাথে তাকে অবহিত করুন আপনি দেখেছেন। তারপর তাকে অপরাধী না বানিয়ে সমস্যা মেটাতে সাহায্য করুন। ভুল স্বীকার করলে তাকে প্রশংসা করুন। বিশেষত তাদের সততার গল্প শোনান। এভাবে শিশুর ভেতর সত্য-মিথ্যার গ্রহনযোগ্যতার দ্বন্দ্ব এতটা তীব্রভাবে কাজ করবে না।
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ, অফিস : ১৪ কাকরাইল রোড, (৫ম তলা) শান্তিনগর বাজার, ঢাকা-১২১৭। মোবাইল : ০১৮১৭০৬২৩৪৪, ০১৭১২৩৫৭১৫৪ ইমেইল : inbnews2010@gmail.com
© All rights reserved © INBNews