আইএনবি ডেস্ক:আজ (১৭ অক্টোবর)দিনটি বিশ্বব্যাপী পরিচিত ‘প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন’ হিসেবে। যদিও কোনো আন্তর্জাতিক বা সরকারি স্বীকৃতি নেই, ২০১৮ সাল থেকে প্রতি বছর এই দিনে প্রাক্তন সম্পর্কের মানুষদের প্রতি ক্ষমার বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভাঙা সম্পর্কের রেশ অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়: অনেকেই বিয়ের পরও প্রক্তনের সাথে যোগাযোগ রাখার চেস্টা করে, এমনকি সন্তান ভূমিস্ট হওয়ার পরও প্রাক্তনের প্রেম ভুলতে পারেনা, কেউ নিজ স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে আবার কেউ নিজ স্ত্যীকে ফাঁকি দিয়ে প্রাক্তনের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থ হয় রাগ, কষ্ট আর অপূর্ণতা নিয়ে। কিন্তু এই বিশেষ দিনটি মনে করিয়ে দেয়, পুরোনো আবেগ আর দুঃখকে ছেড়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব কতটা।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, “পুরোনো ক্ষোভ ও রাগ মনের ওপর চাপ ফেলে।” তাঁদের মতে, মানসিক শান্তির জন্য ক্ষমার বিকল্প নেই। যতই সম্পর্কের ইতি কষ্টের হোক না কেন, ক্ষমার মাধ্যমে মানুষ পায় আত্মিক প্রশান্তি।
এই দিনটিকে কেন্দ্র করে অনেকেই নিজেদের প্রাক্তন সঙ্গীদের উদ্দেশে পাঠাচ্ছেন সংক্ষিপ্ত বার্তা, কেউ কেউ ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করছেন ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। কেউ আবার নিঃশব্দে মনের ভেতরেই উচ্চারণ করছেন ক্ষমার শব্দ, কিংবা স্বীকার করছেন নিজের করা ভুল।
অফিসিয়ালি কোনো স্বীকৃতি না থাকলেও ‘প্রাক্তনকে ক্ষমা করার দিন’ এক ধরনের মানসিক অনুশোচনা ও মুক্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে অনেকের জন্য। দিনটি ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানা গল্প, স্মৃতি আর আবেগের প্রকাশ।
হয়তো আজই সেই সময়, যখন কারও ভেতর থেকে উঠে আসবে একটি নিঃশব্দ বার্তা - "তোমায় ক্ষমা করলাম। ভালো থেকো।"
আইএনবি/বিভূঁইয়া
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ, অফিস : ১৪ কাকরাইল রোড, (৫ম তলা) শান্তিনগর বাজার, ঢাকা-১২১৭। মোবাইল : ০১৮১৭০৬২৩৪৪, ০১৭১২৩৫৭১৫৪ ইমেইল : inbnews2010@gmail.com
© All rights reserved © INBNews