ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া জগলুল পাশা গ্রেপ্তার Logo জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo ১৫ মাস পর দেশে ফিরছেন ইলিয়াস কাঞ্চন Logo পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গাজীপুরে সাতজনকে হত্যার ঘটনায় বিচারের মুখে হাসিনা-হারুনসহ ১০ জন Logo ঢাকার চারপাশে সচল হবে নৌপথ, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা Logo রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু Logo আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী Logo নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহকে (ভিডিও)

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আইএনবি ডেস্ক: ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আজ রোববার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এত মানুষ মারা গেলেও রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারতেন, কিন্তু সে সময় তিনি কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম-খুন ইত্যাদির বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তার মৌন সম্মতি ছিল, তাই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’

এদিন ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের সহিংসতা, গুম, খুনসহ বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

তারা আরও জানান, আইনজীবীরা প্রায়ই একটি কথা বলে থাকেন- সুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটি। অর্থাৎ, একটি গণহত্যার সময় সেখানে রাষ্ট্রের বা দলের সর্বোচ্চ যে ব্যক্তি থাকেন, তার ওপর মূলত ওই অপরাধের দায় বর্তায়। তৎকালীন সময়ের রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর প্রধান হয়েও যারা ফ্যাস্টিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, নিরাপত্তা দিয়েছেন, অন্যায়গুলোর প্রতিবাদ করেননি এবং ক্ষমতার সুবিধাভোগী হয়েছেন সেজন্য তারা এসব অন্যায়ের দায় এড়াতে পারে না। এ কারণে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম।

আজ রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগের আবেদন জমা দেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ

সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আজ রোববার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে এত মানুষ মারা গেলেও রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারতেন, কিন্তু সে সময় তিনি কোনো ভূমিকা রাখেননি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম-খুন ইত্যাদির বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিবাদ করেননি। এসব অপরাধে তার মৌন সম্মতি ছিল, তাই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’

এদিন ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির নেতারা জানান, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের সহিংসতা, গুম, খুনসহ বিভিন্ন আলোচিত ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

তারা আরও জানান, আইনজীবীরা প্রায়ই একটি কথা বলে থাকেন- সুপিরিয়র রিসপনসিবিলিটি। অর্থাৎ, একটি গণহত্যার সময় সেখানে রাষ্ট্রের বা দলের সর্বোচ্চ যে ব্যক্তি থাকেন, তার ওপর মূলত ওই অপরাধের দায় বর্তায়। তৎকালীন সময়ের রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর প্রধান হয়েও যারা ফ্যাস্টিস্ট সরকারকে সহায়তা দিয়েছেন, নিরাপত্তা দিয়েছেন, অন্যায়গুলোর প্রতিবাদ করেননি এবং ক্ষমতার সুবিধাভোগী হয়েছেন সেজন্য তারা এসব অন্যায়ের দায় এড়াতে পারে না। এ কারণে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি অভিযোগ দায়ের করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম।

আজ রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বিভাগে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগের আবেদন জমা দেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট