/* */
Dhaka , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

আইএনবি ডেস্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, মক্কা প্যাক্টের ক্ষেত্রে সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে উপযুক্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর সিদ্ধান্ত নেবে।

 

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বহুপক্ষীয় ফোরামে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এতে দেশ ও জনগণের কী সুবিধা রয়েছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করবে। তবে এই প্যাক্ট নিয়ে এখনো কোনো অফিশিয়াল বার্তা না পাওয়ায় বিষয়টি সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

এর আগে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা ও তরুণ সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিকে স্বাগত জানায় সংস্থাটি। বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের আলোচনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোর সমর্থন আদায়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।


প্রিন্ট
ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র উত্তরা, ২০ পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৩:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইএনবি ডেস্ক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, মক্কা প্যাক্টের ক্ষেত্রে সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে উপযুক্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর সিদ্ধান্ত নেবে।

 

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বহুপক্ষীয় ফোরামে যুক্ত হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এতে দেশ ও জনগণের কী সুবিধা রয়েছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করবে। তবে এই প্যাক্ট নিয়ে এখনো কোনো অফিশিয়াল বার্তা না পাওয়ায় বিষয়টি সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

এর আগে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পুনর্যাত্রা ও তরুণ সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিকে স্বাগত জানায় সংস্থাটি। বৈঠকে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের আলোচনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোর সমর্থন আদায়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।


প্রিন্ট