ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেলে যাওয়া বস্তা থেকে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের টেকনাফের সাবারাং লবণ মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রবিবার (২৮ মে) রাতে গোপন সংবাদের লবণ মাঠের আইলে কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একটি দল। কিছুক্ষণ পর টহলদল ৪-৫ জন ব্যক্তিকে নাফনদী পার হয়ে বস্তা হাতে নিয়ে বেড়ীবাঁধ অতিক্রম করে সীমান্তের শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি সদস্যরা। এসময় বস্তাগুলো ফেলে ওই ব্যক্তিরা পালিয়ে যায় ।

চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া ৩টি বস্তা থেকে ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো জানান, জব্দ মালিকবিহীন ইয়াবা বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম গ্রহণ পরবর্তীতে তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফেলে যাওয়া বস্তা থেকে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজারের টেকনাফের সাবারাং লবণ মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রবিবার (২৮ মে) রাতে গোপন সংবাদের লবণ মাঠের আইলে কৌশলগত অবস্থান নেয় বিজিবির একটি দল। কিছুক্ষণ পর টহলদল ৪-৫ জন ব্যক্তিকে নাফনদী পার হয়ে বস্তা হাতে নিয়ে বেড়ীবাঁধ অতিক্রম করে সীমান্তের শূন্য লাইন হতে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি সদস্যরা। এসময় বস্তাগুলো ফেলে ওই ব্যক্তিরা পালিয়ে যায় ।

চোরাকারবারিদের ফেলে যাওয়া ৩টি বস্তা থেকে ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো জানান, জব্দ মালিকবিহীন ইয়াবা বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম গ্রহণ পরবর্তীতে তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

 

আইএনবি/বিভূঁইয়া


প্রিন্ট