শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বোমা তৈরির মূল কারিগর ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত মো. ফিরোজ খানকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ককটেল, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, দেশীয় অস্ত্র ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে রোববার ভোর ৬টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (শরীয়তপুর) এবং জাজিরা আর্মি ক্যাম্পের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর এলাকায় ২০০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একাধিক মামলার চিহ্নিত আসামি মো. ফিরোজ খান এবং তার স্ত্রী লাভলী আক্তার (৪০) ও আবু তাহেরকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। মো. ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে জাজিরা থানায় মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় আসামির হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়— ৮টি ককটেল সদৃশ বস্তু, ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, ৪টি ইয়াবা সদৃশ লালচে ট্যাবলেট, দেশীয় অস্ত্র (৪টি রামদা, ৫টি বেতের ঢাল), নগদ ৯৩ হাজার টাকা, কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেল, ১টি কালো ছোট ব্যাগ, ২টি বাটন ফোন ও ২টি স্মার্ট ফোন।
পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, ‘আসামি ওই এলাকার ককটেল তৈরির মূল কারিগর হিসেবে পরিচিত। সে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, বিস্ফোরক দ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র তৈরি, সরবরাহ ও বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত।’ তিনি জানান, বিলাসপুরসহ শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ককটেল ও বিস্ফোরক সরবরাহ করত ফিরোজ খান।
আইএনবি/বিভূঁইয়া