গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ২১

5

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬ টার দিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলার দায়ভার স্বীকার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে গাজার হামাস অধ্যুষিত উপকূলবর্তী এলাকা থেকে ইসরায়েলের দিকে রকেট হামলা চালানো হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী গাজার উত্তরাঞ্চলে সিরিজ বিমান হামলা চালায়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে, পূর্ব জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে সোমবার ভোরে আবারও ইসরায়েলি বাহিনী ঢুকে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের ওপর রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও বোমা ছুড়েছে। এতে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এদিকে, সোমবার জেরুজালেমে মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে ইহুদি জাতীয়তাবাদীরা। ফলে এই মিছিল ঘিরে আরো সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপন নিয়ে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। জেরুজালেম থেকে নতুন করে ফিলিস্তিনিদের তাড়ানো হবে বলে আশঙ্কা ছড়ানোর পর এই উত্তেজনা শুরু হয়।

পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার অর্থাৎ জুমাতুল বিদা উপলক্ষে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে জড়ো হলে তাদের ওপর অভিযান চালায় ইসরায়েলি পুলিশ। পরদিন পবিত্র শবে কদরের রাতেও তাদের ওপর তাণ্ডব চালানো হয়। এতে প্রায় ৩০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে।

পূর্ব জেরুজালেমের শেখ জারাহ এলাকা থেকে ৭০টির বেশি ফিলিস্তিনি পরিবার উচ্ছেদের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তা নিয়েই সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা শুরু হয়।

ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের একটি সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই পরিবারগুলোকে উচ্ছেদের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন ইসরায়েলি আদালত। এর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টে আপিল শুনানিকে সামনে রেখে দুই পক্ষে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে গত রবিবার ওই মামলার শুনানি পিছিয়ে গেছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নতুন তারিখ দেওয়া হবে।

আইএনবি/বিভূঁইয়া