সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ

আইএনবি ডেস্ক:: শাহবাগ থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে গ্রেপ্তার দেখানোর এই আদেশ দেন।

‎‎সরকার ‘উৎখাতের ষড়যন্ত্রে’ জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা মডেল থানার মামলায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী গ্রেপ্তার হন। সেই মামলায় শওকত মাহমুদকে গত বছর ৬ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়।

‎ওই মামলায় সম্প্রতি উচ্চ আদালতত থেকে জামিন পান শওকত মাহমুদ। এরপর গত ১৬ মার্চতাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ।

আজ শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের লক্ষ্যে গত ৫ অগাস্ট ‘মঞ্চ ৭১’ নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য জাতির অর্জনকে মুছে ফেলার সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বাংলাদেশের জনগনকে সঙ্গে নিয়ে আত্মত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়া। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত বছর ২৮ অগাস্ট সকাল ১০টায় একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেগুনবাগিচাস্থ সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই একদল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন।

একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিতও করেন। হট্টগোলকারীরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

পরে অতিথিদের অনেককেই বের করে দেওয়া হলেও আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৯ অগাস্ট শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম।

আইএনবি/বিভূঁইয়া