সকাল ১০:১৬, মঙ্গলবার, ২১শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং

দুই পথিক ৪০ বছর ধরে মহাকাশে হাঁটছে তথ্যপ্রযুক্তি

আইএনবি নিউজ টোয়েন্টিফোর.কম

সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭

প্রযুক্তি ডেস্ক: ৪০টা বছর কেটে গেল। প্রত্যেকটি কথাই তারা রেখেছে। রেখে চলেছে, একটানা। পেরিয়ে গিয়েছে, পেরিয়ে চলেছে একের পর এক ‘স্টেশন’ মহাকাশে। ছুঁয়েছে একের পর এক মাইলস্টোন।

হাড়জমানো ঠাণ্ডায় আদিগন্ত, অতলান্ত মহাকাশে ঘন, জমজমাট, গা ছমছমে অন্ধকারে তারা ছুটে চলেছে একা, নির্বান্ধব ৪০ বছর ধরে! দু’জনে দু’দিকে। মানবসভ্যতার পাঠানো প্রথম দুই মহাকাশযান। ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২। মহাকাশে যাদের এগিয়ে চলার জ্বালানি সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার। আর পরামর্শের ‘ব্রেন’টা ধরা রয়েছে নাসার গ্রাউন্ড স্টেশনে। দুই ‘পথিক’ই মহাকাশে এগিয়ে চলেছে ঘণ্টায় ৩০ হাজার মাইলেরও বেশি গতিবেগে। নাসা জানাচ্ছে, সেই যাত্রাপথে আমাদের গ্যালাক্সির পরবর্তী নক্ষত্রের ‘রাজত্বে’ পৌঁছতে ভয়েজার-১ মহাকাশযানের সময় লাগবে আরও ৪০ হাজার বছর!

‘অমরত্বের পথে’ যাত্রা কতটা সূদীর্ঘ হতে পারে, তা কী ভাবে হয়ে উঠতে পারে ‘ক্লান্তিহীন’ও, সম্ভবত সভ্যতার ইতিহাসে তার সবচেয়ে সেরা নজির গড়েছে নাসার এই দুই মহাকাশযানই।

অজানা, অচেনা ব্রহ্মাণ্ডকে চিনতে জানতে, ঢুঁড়ে-ফুঁড়ে ফেলতে দু’জনকেই মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল ৪ দশক আগে। ১৯৭৭-এ। দু’টিই নাসার মহাকাশযান। ভয়েজার-১ যাত্রা শুরু করেছিল ’৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আর তার ‘যমজ’ ভয়েজার-২ যাত্রা শুরু করেছিল তার ১৬ দিন আগে। ’৭৭-এর ২০ অগস্ট।
’৮০-র নভেম্বরে শনিকে ‘বাই বাই’ করে ভয়েজার-১ ঢুকে পড়েছিল আমাদের ছায়াপথ মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির এমন এক জায়গায় যেখানে এর আগে সভ্যতা পৌঁছতে পারেনি কোনও দিন। এখনও পারেনি কেউ। সেটা আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের এলাকা বা ইন্টারস্টেলার স্পেস। দু’টি নক্ষত্রের মাঝের অঞ্চল।

আইএনবি:বিভূঁইয়া

এ বিভাগের আরো সংবাদ

শেয়ার করুন: